বাস্তবিক জীবনে চলতে গিয়ে এমন কোন মানুষ খুজে পাওয়া যাবেনা, যে জীবনে কারো সাথে একবারের জন্য ঝগড়া করে নি। এই ঝগড়া বিষয়ে মজার একটি থিওরি তুলে ধরছি ।

একজন টিচার তার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে শিক্ষা সফরে গিয়েছিল। তারা যখন ঘুরতে বের হল তখন এমন একটা পরিবার দেখতে পেল যার সদস্যরা একে অপরের সাথে চিৎকার করে ঝগড়া করছিল।শিক্ষক তার ছাত্র-ছাত্রীদের দিকে তাকিয়ে স্মিত হাসলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন…

‘‘তোমাদের কি ধারনা? মানুষ যখন রেগে যায় তখন একে অপরের সাথে চিৎকার করে কথা বলে কেন?’’

শিক্ষার্থীরা কিছুক্ষন চুপ করে ভাবলো, তারপর একজন উত্তর দিল,’কারন আমরা তখন মনের শান্তি হারিয়ে ফেলি এবং চিৎকার করি।’’

শিক্ষক প্রশ্ন করলো,‘‘কিন্তু আমরা চিৎকারই বা করি কেন? যাকে আমরা রাগ দেখাই সে তো আমাদের সামনেই আছে,তাকে যা বলার তাতো আমরা শান্ত ভাবেও বলতে পারি।’’

ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই উত্তর দিল,কিন্তু তারা কেউই তাদের নিজেদের উত্তরেই সন্তুষ্ট হতে পারলো না।শেষে শিক্ষক তাদের ব্যাখ্যা করলো,

‘‘যখন দুইজন মানুষ একজন আরেকজনের সাথে রাগারাগি করে তখন তাদের হৃদয়ের মধ্যকার দূরত্ব বেড়ে যায়। এই দূরত্বের জন্য তারা চিৎকার করে কথা বলে, যাতে একে অপরের কথা বুঝতে পারে। তারা যত বেশি রেগে যায় এই দূরত্ব তত বেশি বেড়ে যায়,আর তখন তারাও তত বেশি চেঁচামেচি করে ঝগড়া করে।’’

শিক্ষকের সাথে তার ছাত্রছাত্রীদের সম্পর্ক ছিল খুব খোলামেলা,তাই সে ভালভাবে তাদের ব্যাপারটা বোঝাতে পারছিল।

‘‘কি ঘটে যখন দুইজন মানুষ একে অপরকে ভালবাসে? তারা কিন্তু নিজেদের সাথে চিৎকার করে কথা বলে না বরং মোলায়েম স্বরে কথা বলে। কারন তাদের ভালবাসা দুইজনের হৃদয়কে খুব কাছে নিয়ে আসে।

শিক্ষক আবার বললো,‘‘যখন দুইজন মানষের ভালবাসা আরও গভীর হয় তখন কি হয়? তখন তারা একে অপরের সাথে চাপাস্বরে কথা বলেও সব কিছু বুঝতে পারে।এবং এক পর্যায়ে নিজেদের দিকে তাকিয়েই তারা সবকিছু বুঝতে পারে।’’

সে তার শিক্ষার্থীদের দিকে তাকালো এবং বললো,

‘‘তোমরা যখন একে অপরের সাথে তর্ক করো,ঝগড়া করো তখন এমন কোন শব্দ ব্যবহার কোরো না যা তোমাদের হৃদয়ের মাঝে দূরত্ব বৃ্দ্ধি করে।যদি এভাবে চলতেই থাকে তবে হয়তো এমন একদিন আসবে যখন এ দূরত্ব এত বেশি হয়ে যাবে যে আর কোন শব্দই সেখানে পৌছুবে না,সেখান থেকে ফিরে আসারও হয়তো আর কোন পথ থাকবে না।’’

Posted in Uncategorized | Leave a comment

Charles Robert Darwin

ImageThere can be debate about whether Charles Darwin (12 February 1809 – 19 April 1882) is the greatest scientist of all time but there is no doubt that he is the most controversial scientist of all time. On the Origin of Species by Means of Natural Selection (1859)- this is the book that has made Darwin immortal in the world history. This book has changed the course of science radically. It is perhaps an irony that Darwin studied theology and instead of becoming a clergy, he became naturalist.

Darwin went to different parts of the world and carried out extensive research. His theory about origin of human beings caused widespread controversy. Darwin stated that human beings have evolved through many changes and survival of the fittest was in important factor in the development of animal world. Darwin’s theory still causes passionate debate among his supporters and opponents.

Posted in Uncategorized | Leave a comment

Galileo Galilei.One of Greatest Scientist of the World.

Galileo is considered as one of the greatest contributor to the development of Science. It is undoubtedly true that Galileo could first helped science to come out of the trend of Aristotle. He was physicist, astronomer, and philosopher and his best known contributions lie in the development of Telescope, first two laws of motion and also in Astronomy. He is also considered as the father of astronomy, father of physics and father of science.

He was born to a mathematician and musician father Vincenzo Galilei and his mother was Giulia Ammannati in Italy. He was taught form his very early life. He was the first scientist who followed the way of quantitative experiments in his research where the result was based on mathematics. He had to suffer a lot from the church for his theories.Image

Posted in Uncategorized | 1 Comment

Sir Isaac Newton

Newton was also a man of versatile quality. He was physicist, mathematician, astronomer, alchemist, and natural philosopher in a row. His contribution in the development of science is a special one. He I best known for his explanation of Universal Gravitation and three laws of motion, and he was able to prove that the reason of both the motion of objects on Earth and of celestial bodies are controlled by the same Neutral laws. These findings could make a revolutionary change in the development of science. In mechanical science his great contribution was in optics. He could make a reflecting telescope. He also made some research on light and stars. His research on General binomial Theorem helped to be introduced today’s Calculus.

Newton was born to a farmer family but before three months of his birth his father died and then he was brought up to his maternal grandmother as her mother remarried. Newton could show his talent from his early life in The King’s School in Grantham and later he joined to the Cambridge University where he took his higher degrees.Image

Posted in Uncategorized | Leave a comment

10 Great Scientists of the World. Today given 1 of them.

Scientists have enormous contribution in the advancement of human civilization. Throughout the history of the world, many scientists have dedicated their lives for research and innovation. Some of them even faced a lot of torture for their theories but they continued their mission and thus we are now in a modern world. I have made a list of 10 great scientists in the history. Well, naturally, I had to leave out a lot of great figures. However, I feel that my list represents some of the greatest scientists ever.

Aristotle

Aristotle is the Great philosopher who had a vast knowledge in different disciplines. Studying different subject he contributed a lot in each of those subjects. He contributed in physics, poetry, zoology, logic, rhetoric, politics, government, ethics, and biology. This laurel Greek philosopher was born in Stagira in 384 BC. His father Nicomachus was a physician to the king Amyntas III of Macedon’s court and it is believed that their ancestors also held this position. Earlier in his life he was taught by his father at home and the medical knowledge he got from his father led him to investigate natural phenomenon later on. At the age of 18 he admitted in to the young Greek aristocracy run by Plato, another Great Greek philosopher, and Aristotle became the most favorite student of Plato.

As a scientist Aristotle made a good contribution which was very influential for the development of the science over the year. Mainly he spent most of his life researching the natural science and he did the researches without making reference to the Mathematics which was later proven as the weakness of his research by the scientists. His natural science oriented research includes botany, zoology, physics, astronomy, chemistry, and meteorology, geometry and many more. He was also the teacher of the Great warrior Alexander the Great. This great philosopher died n 322 BC.

Posted in Uncategorized | Leave a comment

অ্যাপল এর ইতিহাস

অসাধারণ প্রতিভাধর কম্পিউটার বৈজ্ঞানিক স্টিভ ওজনিয়্যাকের জন্ম ক্যালিফোর্নিয়ার সানজোসে শহরে। তার উদ্ভাবিত কম্পিউটার ‘‘অ্যাপল-১’’ সত্তর দশকে চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস এই ওজনিয়্যাকের সাথেই জন্ম দেন অ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানি। তাঁদের উদ্ভাবিত ‘‘অ্যাপল-২’’ ও সত্তর-আশির দশকে কম্পিউটারপ্রেমীদের মাতিয়ে রেখেছিল। ১৯৮৫ সালে ওজনিয়্যাক অ্যাপল ছেড়ে চলে যান এবং আর কখনও ফিরে আসেননি।

স্টিভ ওজনিয়্যাকের ডাকনাম ‘‘ওজ’’। ওজের জাদুকর গল্পে অনুকরণেই তার এই নামকরণ। তিনি আমেরিকার বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াতে (বার্কলে) পড়তে গেলেন ১৯৭৫ সালে। কিন্তু অল্প কিছু পড়েই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং ছোটখাট ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বানাতে শুরু করেন। অবশ্য তার অধিকাংশ আবিষ্কারের উদ্দেশ্যই ছিল সেই সময়ের পাউলো-আলতোর হোম-ব্রিউ কম্পিউটার ক্লাবের সদস্যদের একটুখানি মুগ্ধ করা। এই সব প্রজেক্টের তেমন কোন ভবিষ্যৎও ছিল না বলা চলে।

আমেরিকার বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াতে পড়তে গেলেন ১৯৭৫ সালে কিন্তু অল্প কিছু পড়েই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। পরে অবশ্য ১৯৮৬ সালে আবার এখানে ফিরে এসে ব্যাচেলর ডিগ্রী নেন। কিন্তু তাও নিজের নামে নয়- রকি ক্লার্ক ছদ্মনামে

বন্ধু জবসের সাথে মিলে ওজ ঠিক করলেন তারা একটি কম্পিউটার তৈরী করবেন এবং বাজারে বিক্রিও করবেন। ব্যস যেমন ভাবা তেমনই কাজ। নিজের এইচপি সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ও স্টিভ জবসের ভক্সওয়াগনটি বিক্রি করে ১৩০০ ডলার পাওয়া গেল এবং সেই টাকায় তাঁরা দুজন রাত-দিন খাটাখাটি করে তৈরী করলেন কাঙ্খিত সেই কম্পিউটারের প্রটোটাইপ বা নমুনা। এটি তৈরী হলো জবসের বাসার গ্যারেজে। তাদের প্রথম এই কম্পিউটারটি ছিল সেই সময়ের হিসেবে অসাধারণ একটি যন্ত্র।

তখন বাজারে সাধারণতঃ যে কম্পিউটার পাওয়া যেত তার নাম ছিল আল্টিয়ার-৮৮০০। কিন্তু এর ছিল না কোন ডিসপ্লে কিংবা সত্যিকারের স্টোরেজ ব্যবস্থা। এমনকি আউটপুটও আসতো লাইট ফ্লাশিং এর মাধ্যমে। এই ধরনের কম্পিউটার শখের ইলেকট্রনিক কাজের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য অবশ্যই নয়।

অন্যদিকে ওজের কম্পিউটার ‘‘অ্যাপল-১’’ ছিল সবদিক থেকেই দারুন স্বয়ং সম্পূর্ণ। এতেছিল ২৫ ডলারের একটি মাইক্রোপ্রসেসর যার নাম মস ৬৫০২ এবং স্থায়ী মেমরী বা রম (ROM)।

১৯৭৬ সালের পহেলা এপ্রিলে ওজ তার বন্ধু জবসের সাথে গঠন করলেন অ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানী। এর জন্য তিনি তার হিউলেট-প্যাকার্ডের চাকুরীও ছেড়ে দিলেন এবং অ্যাপলে যুক্ত হলেন গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে।

এবার তিনি তার পুরো সময় এবং মেধা ব্যয় করলেন ‘‘অ্যাপল-১’’ এর উন্নয়নে। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি উদ্ভাবন করলেন ‘‘অ্যাপল-২’’ যাতে ছিল উন্নত রেজুলেশনের ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা যেখানে অন্যান্য কম্পিউটার শুধুমাত্র লেখা প্রদর্শন করেই ক্ষান্ত ছিল। তিনি এতে একটি ফ্লপি ডিস্ক কন্ট্রোলার যুক্ত করলেন এবং সেই সাথে রাল্ডি উইগিংটনকে (ম্যাকরাইট সফটওয়্যারের জনক, অ্যাপল কোম্পানীর প্রথম কর্মী) নিয়ে লিখে ফেলেন একটি আদর্শ ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। এভাবে হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশ ডিজাইনের পাশাপাশি ওজ নিজেই অ্যাপলেন বেশির ভাগ সফটওয়ারও লিখে ফেলতে লাগলেন। তৈরী করলেন ক্যালভিন নামের একটি উন্নত প্রোগ্রামিং ভাষার ইন্টাপ্রেটর, সুইট-১৬ নামের ১৬-বিট প্রসেসরের ইন্সট্রাকসন সেট, ব্রেকআইট নামের একটি কম্পিউটার গেম ইত্যাদি। এই গেমটি তৈরী করতে গিয়েই তিনি বুঝতে পারলেন এখন সময় এসেছে কম্পিউটারের সাথে স্পিকার যুক্ত করার, যাতে এটি শব্দও করতে পারে।

১৯৮০ সালে ওজ মিলিয়নিয়ার বনে গেলেন। তাঁকেই অ্যাপল কম্পিউটারের গডফাদার বলা হতো। কিন্তু এর পরই ঘটলো অঘটন। ‘‘অ্যাপল-২’’ এর পর ‘‘অ্যাপল-৩’’ তেমন বাজার ধরতে পারলো না এবং পাশাপাশি আরেক লিসা প্রকল্পেরও ধস নামালো। ১৯৮১ তে ওজ সামত্মাক্রুজ স্কাই পার্কে একটি বিমান দূর্ঘটনায় কিছুদিনের জন্য তাঁর স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। কিভাবে এই দূর্ঘটনাটি ঘটলো এবং কোথায় এইসব কোন তথ্যই তাঁর মনে রইলো না। তাঁর বান্ধবী সিন্ডি ক্লার্কের কাছে পর্যন্ত জানতে চাইলেন কি ঘটেছিল সেইদিন। যখন সিন্ডি আস্তে আস্তে সব খুলে বলল ওজের স্মৃতিশক্তি ফিরে আসতে লাগলো। যদিও ওজের কম্পিউটার গেমের আসক্তিও স্মৃতিশক্তি ফেরাতে সহায়তা করে অনেকটাই।

সেই প্লেন দূর্ঘটনায় ওজের এই দুরবস্থা হয়েছিল তার নাম ছিল ‘‘বীচ বোনানজা’’। সান্তাক্রজের স্কাইপার্ক থেকে উড়তে গিয়ে এই দূর্ঘটনাটি ঘটে। কিন্তু সুস্থ্য হওয়ার পর ওজনিয়্যাক আর অ্যাপলে ফিরে গেলেন না। বরং তিনি তাঁর বান্ধবী ক্লার্ককে বিয়ে করলেন। যাকে তিনি মজা করে ‘‘সুপার ওম্যান’’ বলে ডাকতেন। কারণ, সুপারওম্যানের হারানো স্মৃতিশক্তি (ক্রিপনোইটের আঘাতে) ফেরাতে সুপার ওম্যানের ভূমিকাই বেশি। যাইহোক, অ্যাপলে না গিয়ে তিনি বরং তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি বার্কলেতে ফিরে এলেন এবং ১৯৮৭ সালে তার স্নাতক পড়াশুনা শেষ করলেন। কিন্তু তাও নিজের নামে নয় রকি ক্লার্ক ছদ্মনামে। রকি ছিল তাঁর কুকুরের নাম আর ক্লার্ক হলো বউ এর শেষ নাম। এর মধ্যে যদিও তিনি একবার অ্যাপলে ফিরে এসেছিলেন কিন্তু সামান্য এক ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ে বেশি বড় কোন পদ নিতে চাইলেন না। বরং সহকর্মীদের উৎসাহ দিতেই তার বেশি ভাল লাগতো।

স্টিভ ওজনিয়্যাক আমেরিকার বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে থেকে অবশেষে ডিগ্রী নিলেন তাঁর প্রিয় কুকুর রকির ছদ্মনামে

এবার তিনি আরেক নতুন কোম্পানী তৈরী করেন যার নাম ‘‘ক্লাউড-৯’’ এর কাজ ছিল ইউনিভার্সাল রিমোট কন্ট্রোল তৈরী করা। যা দিয়ে নানা রকম যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ১৯৮৭ তে এটি তৈরী হলো। এরপর তিনি প্রকৌশলী কাজকর্মও ছেড়ে দিলেন। সব বাদ দিয়ে তিনি স্কুলের ক্লাশ ফাইভের বাচ্চাদের পড়াতে শুরু করলেন। শুধু তাই নয়, নিজের সমস্ত অর্থই তিনি দান করে দিলেন স্থানীয় একটি স্কুলে (যেখানে তিনি ছোটবেলায় পড়েছিলেন) যার নাম ছিল বাটস গ্যাটোস ডিস্ট্রিক্ট স্কুল। এর পাশাপাশি তৈরী করলেন ইউনুসন (Unuson-Unite us In Song) নামের একটি দাতব্য সংস্থা যার মাধ্যমে আমেরিকার বড় বড় দুটি উৎসব আয়োজন করলেন।

সানজোসের বাচ্চাদের একটি জাদুঘরেও তিনি বহু অর্থ দান করলেন এবং এর উন্নয়নে কাজ করে সকলের মন জয় করে নিলেন, বিশেষ করে বাচ্চাদের। সেই জাদুঘরের সামনের রাস্তাটির নামকরণ করা হলো তাঁরই নামানুসারে ওজ ওয়ে (Woz Way), আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান তাকে প্রযুক্তিতে অবদান রাখার জন্য ন্যাশনাল মেডল অব টেকনোলজি প্রদান করলেন। ১৯৯৭ তে কম্পিউটার ইতিহাসের জাদুঘর তাঁকে ফেলো হিসেবে অন্তর্ভূক্ত নিল। ২০০০ সালে আমেরিকার জাতীয় উদ্ভাবকদের লিস্টিতে যুক্ত করা হলো।

২০০২ সালে তিনি আবার তথৎ প্রযুক্তির মাঝে ফিরে এলে এবং হুইলস অব জিউস বা সংক্ষেপে ওজ (Woz) প্রকল্পের শুরু করলেন তারবিহীন গ্লোবাল পজিসনিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করা। একই বছর তিনি ডেনগার ইনকোর্পোরেটের বোর্ড অব ডিরেক্টরদের একজন হিসেবে যোগ দিলেন এবং টি-মোবাইলেন জন্য হিপটপ নামের একটি প্রযুক্তি তৈরী করতে লাগলেন।

২০০৪ সালে ড. টম মিলারের উদ্যোগে ওজকে নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করলো কম্পিউটার জগতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য। ২০০৫ সালে ওজ আরো দুটি ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন মিশিগান ও ফ্লোরিডার দুটি নামী বিশ্ববিদ্যালয় হতে। পাশাপাশি বাচ্চাদের স্কুলের জন্য ছোটখাট কাজে ব্যস্ত রইলেন।একই বছর তার হুইলস অব জিউস প্রকল্প বন্ধ করে দিয়ে নতুন এক প্রকল্পের শুরু করলেন যার নাম অ্যাকুইয়ার টেকনোলজি। এর কাজ ছিল বিভিন্ন প্রযুক্তির কোম্পানী হতে টেকনোলজি অধিগ্রহণ এবং সেই টেকনালজির উন্নয়ন সাধন করা।

ওজের আত্মজীবনী প্রকাশ করা হলো ২০০৬ সালে যার নাম ছিল ‘‘আইওজ: ফ্রম কম্পিউটার গিক টু কাল্ট আইকন-হাউ সাই ইনভেন্টেড পার্সনাল কম্পিউটার, কো-ফাউন্ডেড অ্যাপল এন্ড হ্যাড ফান ডুইং ইট (iWoz: From Computer Geek to Cult Icon: How I Invented the Personal Computer, Co-Founded Apple, and Had Fun Doing It.)’’

এখন ওজ ব্যস্ত আছেন পোলো খেলা নিয়ে। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া সমুদ্রতটের স্যাগওয়ে পোলো টীমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তার দলে আছেন সিলিকন ভ্যালীর কম্পিউটার জগতের আরও অনেক ভগ্নহৃদয় প্রযুক্তিবিদ।

ব্যক্তিজীবনে ওজ একজন মজার মানুষ। সেই সময় তিনি তাঁর বাসা হতে ডায়াল-এ-জোক নামের মজার এক ফোন সার্ভিস চালু করেন। এই কাজ করতে গিয়েই তাঁর পরিচয় হয় একটি মেয়ের সাথে এবং পরবর্তীতে তাকেই তিনি বিয়ে করেন।

দুষ্ট কাজেও তিনি ছিলেন ওস্তাদ ব্যক্তি। ক্যাসিনোর ছেড়া স্লিপ সংগ্রহ করে সেগুলো দিয়ে বই বানিয়ে আবার বই স্লিপ কেটে দর্শনার্থীর কাছে বিক্রি করা ছিল তাঁর প্রিয় কাজের মধ্যে একটি। এরকম করতে গিয়ে লাস ভেগাসের এক ক্যাসিনোতে একবার ধরাও পড়তে হয় তাঁকে। তিনি খুব ভাল গিটারও বাজাতে পারেন। তার প্রিয় একটি উক্তি হলো ‘‘এমন কম্পিউটারকে কখনও বিশ্বাস করো না, যা তুমি জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলতে পারো না।’’ তার এই বিখ্যাত উক্তি পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয় সিভিলাইজেশন-৪ নামের একটি কম্পিউটার গেমে।

ওজকে নিয়েও বিভিন্ন সময়ে নির্মিত হয়েছে ডকুড্রামা ও কার্টুন চিত্র। এদের মধ্যে ‘‘ক্যাম্প নাওহয়্যার’’ চরিত্রে দেখা যায় ওজের নাম নিয়ে এক ব্যক্তি বাচ্চাদের ক্যাম্পে নিয়ে পালায়। ‘‘ইউরেকা-৭’’ কার্টুন চিত্রে দেখা যায় এক হ্যাকারের নাম ওজ। এমনকি লার্স নামের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীর গান ‘‘আহাব’’ এ ওজের কথা শুনতে পাওয়া যায়। এছাড়া ‘‘পাইরেটস অব সিলিকন ভ্যালী’’ ও ‘‘ট্রিয়াম্পফ অব নেরডস’’ ডকুড্রামাতেও ওজের ছদ্ম উপস্থিতি দেখা যায়।

‘‘এমন কম্পিউটারকে কখনও বিশ্বাস করো না, যা তুমি জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলতে পারো না।’’ তাঁর এই বিখ্যাত উক্তি পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয় সিভিলাইজেশন-৪ নামের একটি কম্পিউটার গেমে। ওজনিয়্যাক এখন কম্পিউটারের চেয়ে ছোটখাট স্কুলের কাজ করতেই বেশি ভালবাসেন

প্রতিভাবান এই কম্পিউটার বৈজ্ঞানিক ওজ তাঁর প্রথম জীবনে পারসনাল কম্পিউটারের উন্নয়নের জন্য অবদান রাখেন কিন্তু পরবর্তীতে কম্পিউটারে কাছ থেকে সরে এসে নিয়েজিত হন সমাজ কল্যাণে এবং নিলোর্ভ এই ব্যক্তি এখন ছোট ছোট কাজের মাঝেই আনন্দ খুঁজে পান।

_________________সংগৃহীত

Posted in Uncategorized | Leave a comment

বিল গেইট্স এর জীবনী (সংক্ষিপ্ত)

ছেলেবেলাঃ

জন্ম ১৯৫৫। বিল তার প্রথম কম্পিউটার দেখেন বাড়ীর কাছেই ছোট্ট একটি কম্পিউটার ফার্মে। রাতের বেলা তিনি আর তার বাল্য বন্ধ পল অ্যালান ঐ কম্পিউটার ফার্মে কাজ করতেন। তারা দুজনে মিলে ট্রাফিক সিগনাল কন্ট্রোলের একটি সফটওয়্যার বানান এবং পরবর্তীতে দুজন একত্রেই মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন। কিছু দিন আগেও বিল গেইট্স যখন বিশ্বের সেরা ধনী নির্বাচিত হন তখন পল এ্যালান ছিলেন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্পদশালী ব্যক্তিত্ব।

শিক্ষাঃ হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক। কিন্তু তিনি তার শিক্ষা জীবন সম্পুর্ণ করেননি। তিনি হার্ভাড থেকে চলে আসার আগে তার এক শিক্ষককে বলেছিলেন, তিনি তিরিশ পেরোনোর আগেই মিলিয়নিয়ার হবেন। কিন্তু তার কথাটি ঠিক ছিল না। কারণ, তিনি মিলিয়নিয়ার নয় বরং বিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনঃ

বিল গেইটস ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জনক ক্যাথরিন ও রণ গেইটস। তার সহধর্মী মেলিন্ডা গেইটস এককালের সহকর্মী।

মোট সম্পদঃ

১০০ বিলিয়নের কম এবং ১৮ বিলিয়নের বেশী।

লেখালেখিঃ

• Business @ the Speed of Thought,
• The Road Ahead

মাইলস্টোনঃ

• মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোডাকশন হল ডস (ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম) যা বিল ৫০ ডলারের বিনিময়ে কিনে নিয়েছিল একটি অখ্যাত কোম্পানীর কাছ থেকে এবং কুইক এন্ড ডারটি ওস(কিউডস) নাম বদলে একটু সুন্দর ও সহজ করে সেটি বিক্রি করে দিয়ে ছিল আইবিএম এর কাছে।
• উইন্ডোজ ৩.১, যা মাইক্রোসফট অ্যাপলের কাছ থেকে দেখে তৈরী করে। আর অ্যাপল সেটি নিয়েছিল জেরক্সএর কাছ থেকে!!
• উইন্ডোজ ৯৫, ম্যাকওসের সরাসরি নকল। কিন্তু স্ট্যাবিলিটি ও ক্ষমতাতে তার ধারে কাছেও নেই।
• উইন্ডোজ এনটি- ডিজিট্যাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশনের ভিএমএস নামক একটি সিস্টেমকে মাইক্রোসফট কিনে নেয় এবং পরবর্তীতে উক্ত সিস্টেমের প্রোগ্রামারদেরও নিজ সংস্থায় নিয়ে যায়। তারাই উইন্ডোজ এনটি ডেভেলপ করে দেয়।
• এমএস ওয়ার্ড নিয়ে যাদের এত খুশি তাদের আরও আনন্দ পাবেন এটি জেনে যে, এটি চুরি করা হয়েছিল ওয়ার্ডপারফেক্ট ও অ্যামিপ্রো হতে। বর্তমানে কোরেল কোম্পানী প্রায় হারিয়ে যাওয়া এই ওয়ার্ডপারফেক্ট নিয়ে নানা গবেষণা করে এর উন্নত সংস্করন বের করলেও তা খুব একটা নাম করতে পারেনি। একই ভাবে মাইক্রোসফট তার প্রায় প্রতিটি বিখ্যাত সফট্ওয়্যার কখন নকল করে (যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার নেটস্কেপ নেভিগেটর হতে নকল করে), কখনও উৎপাদনকারী সংন্থাকে কিনে নিয়ে আবার কখনও উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোকে ধ্বংস বা দেউলিয়ে করে কিনে নিয়েছে। সম্ভবতঃ একারণেই বিলগেইটসের মাইক্রোসফট সফটওয়্যার জায়ান্ট বা সফটওয়্যারে দৈত্য হিসেবে খ্যাত।

 
————-সংগৃহীত
Posted in Uncategorized | Leave a comment